Saturday, February 18, 2017

শহীদী মিছিলে রক্তের দাম কী

শহীদী মিছিল শুরু বাংলাদেশে সেই ১৯৪৮ সালে। এর ক্রমদ্ধারা এখনো যায়নি থেমে। রয়েছে হাজারো বাংলার যুবকের মৃত্যুতে। মৃত্যু নয় এটা শহীদী মিছিল। কেন থামছেনা এ মৃত্যু। কী তার কারণ । কী তার উত্তরণ। আসুন দেখা যাক বিবরণ।

Wednesday, February 15, 2017

২১শে ফেব্রুয়ারী আজ আমাদের লজ্জার কারণ।


দড়ান ! উত্তেজিত হবেন না। আমি আশা করি আমার সম্পুর্ন আর্টিকেলটি পড়ে আপনিও আমার সাথে একমথ পোষন করবেন।





২১শে ফেব্রুয়ারী আমার আপনার অর্থৎ বাংলাদেশের জনগণের যেমন গৌরবোজ্জ্বলের দিন। ঠিক তেমনি এটি রাজপথে শহীদী মিছিলের সাফল্যের দিন। বাংলা মায়ের সন্তান ৯ বছরের শিশু অহিউল্লাহসহ রফিকউদ্দিন, আব্দুল জব্বার,  আবুল বরকত, আব্দুস সালাম এবং নাম না জানা আরো অনেক ভাই ভাষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। এই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধ জানাতে আমরা খালি পায়ে পবিত্র শহিদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করি।




২০১০ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। যথাযত ভাবে পরম শ্রদ্ধায় আমাদের দেশেও পালন হয়ে আসছে ২১শে ফেব্রুয়ারী। কিন্তু কীছু অজ্ঞাত শিক্ষিত মুর্খের কারনে আজ সেই ২১ আমাদের কাছে লজ্জার কারন হয়ে দাড়িয়েছে। আমি আগেই বলে রাখি আমার ভাবনা বা চিন্তার কাছে হয়তো আপনাদের চিন্তার মিল না থাকথে পারে। সেখানে আমার কিছু কারর নেই। সহজ কথায় ভাল লাগলে পইড়া দেখেন না লাগলে হাঠতে থাকেন।

এবার মূল কথায় আসা যাক । কী কারণে আমি ২১শে ফেব্রুয়ারীকে লজ্জার কারণ বলে আখ্যায়িত করলাম।


একঠু অতীত শ্মরন করে আসি। আজ থকে মাত্র কয়েক বছরে আগের কথা ২১শে ফেব্রুয়ারী ছিল আমার আবেগ, আমাদের আবেগ।  যেখানে সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গফফার চৌধুরীর ৫২’র ২১ তারিখের লেখা আমার ভায়ের রক্তে রাঙনো ২১শে ফেব্রুয়ারী বেজে উঠত। ভেসে যেতাম ১৯৫২ সালের সেই ২১ তারিখে। রক্ত উজ্জেবিত হতো। মনে হতো আমারো কীছু করা প্রয়োজন এই দেশ, মাঠি, ভাষার জন্য। আজ সেই আবেগ আছে, গান আছে, দেশ, মাঠি, ভাষা সবকীছুই আছে নেই মানুষের ভালবাসা। প্রভাতফেরি হারিয়ে যাচ্ছে-রাত্রের প্রথম প্রহরেই লোকিয়ে ফুলদিয়ে গুমিয়ে পড়া ছারা আমাদের কাউকেই আর শহীদ মিনারে বা সেই সংস্কৃতি বজায় রাখতে দেখা যায়না । কিন্তু সচেষ্ঠ থাকেন আমাদের রাজনৈতিক নেতা কর্মিরা । তারা কী কারণে মাঠে সচেষ্ঠ তাকেন তা আমার ভোধগাম্ম নয়। তবে কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি যে ভোটের আশায় ঐ ১দিনই মাঠে আসেন তা সবার দেখা। নেতা কর্মিরা যে দেশ প্রেমিক নেই আমি তা বলছিনা। দেশ প্রেম, ভাষা প্রেম আজ আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে। এখন সেটা ১৪ই ফেব্রুয়ারী পার্কের ব্রেঞ্চের মধ্যেই সিমাবদ্ধ। যেই গানে অশ্রু আসতো আজ সেই গানের বদলে চলে আসেছে লুঙ্গিডেন্স। আজ আমরা দেশ প্রেমের বদলে সিখেছি বিদেশী লুঙ্গিডেন্সের মতো কিছু আনকাল্চার সংস্কৃতি।
দাড়ান কোথায় যাচ্ছেন- সবেতো আপনার কথায় আসলাম। ভাই আপনার হাতের মোবাইলটা কী? নিশ্চই আইফোন। একটা সেলফি নেননা দেখি। এই রকমের যে মানুষ শহীদ মিনারে নাই তা নয়। আপনি বলবেন এটা খারাপ কীসের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে যদি বড় পর্দাজোড়ে দেখাতে পারে তাতে আমাদের দোষ কী ? তাহলে ভাই আমি আর এই বিষয়টা নিয়ে কোন কথা বলবনা।

শহীদ মিনারে নগ্নপায়ে(খালি পায়ে) প্রভাতে ফুলনিয়ে যায়া হতো। আজ রতের অন্ধকারে মানুষ দেখবেনা ভেবে জুতা পায়েই অনেককে উঠতে দেখাগেছে। এই খবর অনেক প্রত্রিকায়ো ছাপা হায়েছে।

তাই ভালবাসা থেকে। নিজের অন্তর থেকে যদি দেশ প্রেম না আসে লোক দেখানের ভালোবাস কখনোই তুমার মাতৃভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হলো না। এখানে আমাদের লজ্জা। এখানে উৎষবের দিন নয় তই বলে কী আনন্দের দিন নন্যেদি আনন্দেরই দিন না হয় তবে কেন এই ভাষা। আর যাদের রক্তে বিনিময়ে এই ভাষা তাদের কাছেতো লুঙ্গিডেন্স কখনো প্রিয়হেতে পারে না।