দড়ান ! উত্তেজিত হবেন না। আমি আশা করি আমার সম্পুর্ন আর্টিকেলটি পড়ে আপনিও আমার সাথে একমথ পোষন করবেন।
২১শে ফেব্রুয়ারী আমার আপনার অর্থৎ বাংলাদেশের জনগণের যেমন গৌরবোজ্জ্বলের দিন। ঠিক তেমনি এটি রাজপথে শহীদী মিছিলের সাফল্যের দিন। বাংলা মায়ের সন্তান ৯ বছরের শিশু অহিউল্লাহসহ রফিকউদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত, আব্দুস সালাম এবং নাম না জানা আরো অনেক ভাই ভাষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। এই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধ জানাতে আমরা খালি পায়ে পবিত্র শহিদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করি।
এবার মূল কথায় আসা যাক । কী কারণে আমি ২১শে ফেব্রুয়ারীকে লজ্জার কারণ বলে আখ্যায়িত করলাম।
একঠু অতীত শ্মরন করে আসি। আজ থকে মাত্র কয়েক বছরে আগের কথা ২১শে ফেব্রুয়ারী ছিল আমার আবেগ, আমাদের আবেগ। যেখানে সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গফফার চৌধুরীর ৫২’র ২১ তারিখের লেখা আমার ভায়ের রক্তে রাঙনো ২১শে ফেব্রুয়ারী বেজে উঠত। ভেসে যেতাম ১৯৫২ সালের সেই ২১ তারিখে। রক্ত উজ্জেবিত হতো। মনে হতো আমারো কীছু করা প্রয়োজন এই দেশ, মাঠি, ভাষার জন্য। আজ সেই আবেগ আছে, গান আছে, দেশ, মাঠি, ভাষা সবকীছুই আছে নেই মানুষের ভালবাসা। প্রভাতফেরি হারিয়ে যাচ্ছে-রাত্রের প্রথম প্রহরেই লোকিয়ে ফুলদিয়ে গুমিয়ে পড়া ছারা আমাদের কাউকেই আর শহীদ মিনারে বা সেই সংস্কৃতি বজায় রাখতে দেখা যায়না । কিন্তু সচেষ্ঠ থাকেন আমাদের রাজনৈতিক নেতা কর্মিরা । তারা কী কারণে মাঠে সচেষ্ঠ তাকেন তা আমার ভোধগাম্ম নয়। তবে কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি যে ভোটের আশায় ঐ ১দিনই মাঠে আসেন তা সবার দেখা। নেতা কর্মিরা যে দেশ প্রেমিক নেই আমি তা বলছিনা। দেশ প্রেম, ভাষা প্রেম আজ আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে। এখন সেটা ১৪ই ফেব্রুয়ারী পার্কের ব্রেঞ্চের মধ্যেই সিমাবদ্ধ। যেই গানে অশ্রু আসতো আজ সেই গানের বদলে চলে আসেছে লুঙ্গিডেন্স। আজ আমরা দেশ প্রেমের বদলে সিখেছি বিদেশী লুঙ্গিডেন্সের মতো কিছু আনকাল্চার সংস্কৃতি।
দাড়ান কোথায় যাচ্ছেন- সবেতো আপনার কথায় আসলাম। ভাই আপনার হাতের মোবাইলটা কী? নিশ্চই আইফোন। একটা সেলফি নেননা দেখি। এই রকমের যে মানুষ শহীদ মিনারে নাই তা নয়। আপনি বলবেন এটা খারাপ কীসের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে যদি বড় পর্দাজোড়ে দেখাতে পারে তাতে আমাদের দোষ কী ? তাহলে ভাই আমি আর এই বিষয়টা নিয়ে কোন কথা বলবনা।
শহীদ মিনারে নগ্নপায়ে(খালি পায়ে) প্রভাতে ফুলনিয়ে যায়া হতো। আজ রতের অন্ধকারে মানুষ দেখবেনা ভেবে জুতা পায়েই অনেককে উঠতে দেখাগেছে। এই খবর অনেক প্রত্রিকায়ো ছাপা হায়েছে।
তাই ভালবাসা থেকে। নিজের অন্তর থেকে যদি দেশ প্রেম না আসে লোক দেখানের ভালোবাস কখনোই তুমার মাতৃভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হলো না। এখানে আমাদের লজ্জা। এখানে উৎষবের দিন নয় তই বলে কী আনন্দের দিন নন্যেদি আনন্দেরই দিন না হয় তবে কেন এই ভাষা। আর যাদের রক্তে বিনিময়ে এই ভাষা তাদের কাছেতো লুঙ্গিডেন্স কখনো প্রিয়হেতে পারে না।


এটা সত্যি খুবই দুঃখজনক আর হতাসাজনক, কারন আমরা এটা ভুলে যাচ্ছি যে আমাদের বাংলা ভাষার জন্য আমাদের বাংলা মায়ের কত ছেলে তাদের প্রান দিয়েছে । আমাদের উছিত তাদেরকে মন থেকে শ্রদ্ধা কর । আর ভাই এর লেখাটি সত্যিই অনেক তাৎপর্য পূর্ণ।
ReplyDelete